পরামর্শ দিয়েছেন মো. গোলাম রব্বানী
মো. গোলাম রব্বানী
পরিচালক ও অধ্যাপক, জাতীয়মানসিক স্বাস্থ্যইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা
সমস্যা: আমার একমাত্র ছেলের বয়স ছয় বছর। অসম্ভব দুরন্ত। সারা দিন ছোটাছুটি করে। এক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসে না। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে সব সময় দৌড়াদৌড়ি করে। বাসার কাজের লোক বা স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে। দুই বছর ধরে স্কুলে যায়, কিন্তু পড়ালেখায় মনোযোগ কম, রেজাল্টও খারাপ। স্কুলের শিক্ষক বলেন, ওকে মানসিক চিকিৎসক দেখাতে। কিন্তু ওর দাদা-দাদি রাজি হন না, তাঁরা বলেন, এটা স্বাভাবিক।
আসলে ওর সমস্যা কি মানসিক? বড় হয়ে গেলে কি ও ঠিক হবে? আমার কী করণীয়?
উম্মে কুলসুম, পূর্ব রাজাবাজার, ঢাকা
পরামর্শ: আপনার সন্তানের লক্ষণগুলো শুনে মনে হচ্ছে সে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (অতিচঞ্চল শিশু) বলে এক ধরনের সমস্যায় ভুগছে। এটা এক ধরনের মানসিক সমস্যা, যা এই বয়সী শিশুদের হতে পারে। এ সমস্যার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা আছে। উপযুক্ত চিকিৎসা, কাউন্সেলিং আর সাইকোথেরাপির মাধ্যমে তাকে অনেকাংশেই সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
তবে যথার্থ চিকিৎসা না পেলে বড় হলে তার ব্যক্তিত্বের সমস্যাসহ আরও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘাবড়ে না গিয়ে আপনি তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে বা জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ‘শিশু বিকাশ ও চিকিৎসা কেন্দ্রে’র বহির্বিভাগে যেকোনো বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে নিয়ে আসুন।
সমস্যা: আমার একমাত্র ছেলের বয়স ছয় বছর। অসম্ভব দুরন্ত। সারা দিন ছোটাছুটি করে। এক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসে না। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে সব সময় দৌড়াদৌড়ি করে। বাসার কাজের লোক বা স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে। দুই বছর ধরে স্কুলে যায়, কিন্তু পড়ালেখায় মনোযোগ কম, রেজাল্টও খারাপ। স্কুলের শিক্ষক বলেন, ওকে মানসিক চিকিৎসক দেখাতে। কিন্তু ওর দাদা-দাদি রাজি হন না, তাঁরা বলেন, এটা স্বাভাবিক।
আসলে ওর সমস্যা কি মানসিক? বড় হয়ে গেলে কি ও ঠিক হবে? আমার কী করণীয়?
উম্মে কুলসুম, পূর্ব রাজাবাজার, ঢাকা
পরামর্শ: আপনার সন্তানের লক্ষণগুলো শুনে মনে হচ্ছে সে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (অতিচঞ্চল শিশু) বলে এক ধরনের সমস্যায় ভুগছে। এটা এক ধরনের মানসিক সমস্যা, যা এই বয়সী শিশুদের হতে পারে। এ সমস্যার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা আছে। উপযুক্ত চিকিৎসা, কাউন্সেলিং আর সাইকোথেরাপির মাধ্যমে তাকে অনেকাংশেই সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
তবে যথার্থ চিকিৎসা না পেলে বড় হলে তার ব্যক্তিত্বের সমস্যাসহ আরও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘাবড়ে না গিয়ে আপনি তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে বা জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ‘শিশু বিকাশ ও চিকিৎসা কেন্দ্রে’র বহির্বিভাগে যেকোনো বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে নিয়ে আসুন।


11:51 PM
মমরানী
Posted in:

0 মন্তব্য(সমূহ):
Post a Comment