Total Pageviews

Showing posts with label কিডনি. Show all posts
Showing posts with label কিডনি. Show all posts

Saturday, September 17, 2011

কিডনি রোগীরা যা খাবেন না

পানি খেতে হবে পরিমিত। প্রতিদিনের পস্রাবের পরিমানের ওপর নির্ভর করবে কতটুকু পানি রোগী খেতে পারবেন।
০ কিডনি রোগী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম প্রভৃতি প্রাণীজ আমিষ সীমিত পরিমাণে খাবেন। রোগীর রক্তের ক্রিয়েটিনিন, শরীরের ওজন, ডায়ালাইসিস করেন কিনা, করলে সপ্তাহে কয়টা করেন তার ওপর নির্ভর করবে প্রতিদিন কত গ্রাম প্রোটিন খাবেন তার পরিমাণ।
০ উদ্ভিজ প্রোটিন বা দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রোটিন যেমন-ডাল, মটরশুটি, সিমেরবীচি যে কোন বীচি ডায়েট চার্টে থাকবে না।
০ যে সমস্ত- সবজি খাবেননা: ফুলকপি, বাধাকপি, গাজর, ঢেঁড়শ, শিম, বরবর্টি, কাঠালের বীচি, শীমের বীচি, মিষ্টি কুমড়ার বীচি, কচু, মূলা এবং পালং, পুঁইশাক ইত্যাদি।
০ ফলের ক্ষেত্রেও আছে নানান রকম নিষেধাজ্ঞা। প্রায় সব ফলেই সোডিয়াম পটাশিয়ামের আধিক্য আছে বলে কিডনি রোগীদের জন্য ফল খাওয়া একটা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। বিশেষ করে আঙ্গুর, কলা, ডাবের পানি। অল্প পরিমাণে আপেল এবং পেয়ারা তুলনামূলক নিরাপদ।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক,

আপেল কিডনি ক্যান্সার রোধ করে

পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে একটা প্রবাদ বেশ প্রচলিত। ‘প্রতিদিন একটি করে আপেল একজন ডাক্তারকে দূরে সরিয়ে দেয়’। প্রকৃত অবস্থাটা তা-ই। কারণ আপেল কিডনির ক্যান্সার রোধ করে। সুইডেনের মানুষদের মধ্যে কিডনির ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হার সবচেয়ে বেশি। তাই সুইডেনের মানুষদের ওপর আপেলের এই গুণটি নিয়ে একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল। গবেষকগণ কয়েকজনকে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাইয়ে দেখেন যে, যারা প্রতিদিন একটি করে আপেল খেয়েছে তাদের কিডনির ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় অনেক কমে গেছে। তবে কমলা, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, গাজর একই উপকারিতা পাওয়া যায় ।
ডা:সাদিয়া তাবাস্সুম
শুক্র, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১, ১ আশ্বিন ১৪১৮
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

Saturday, July 23, 2011

প্রস্রাবের সমস্যা

সমস্যা: আমার বয়স ২২। ওজন ৬২ কেজি। প্রায় দুই বছর ধরে আমার প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হয়।এমবিবিএস ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে কোনো লাভ হয়নি। কিছুদিন পর আবার পেটের বাঁ দিকে ব্যথা করে, শক্ত হয়েথাকে, পেট ফুলে যায়। পেটে জ্বালাপোড়া হয়। তারপর একজন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ দেখাই, কোনো লাভ হয়নি। আমার পায়খানা ক্লিয়ার হয়। আমাকে আর কী করতে হবে, কী ওষুধ খেতে হবে। তা জানালে খুবই উপকৃত হব।সব পরীক্ষা করি। পরীক্ষা নরমাল হয়। ওষুধ ফুল কোর্স সম্পূর্ণ করি।
এস আই টুটুল
পরামর্শ: আপনার অসুস্থতার বর্ণনা ও বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্টদেখে আমার মনে হচ্ছে আপনি প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ ও ইউরেত্রাটিসে ভুগছেন। প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ খুব জটিল কোনো অসুখ না। এটি অনেকেরই হয়েথাকে—চিকিৎসায় সুস্থও হয়েযায়। অসুবিধা হচ্ছে প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহে দীর্ঘস্থায়ী অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। আপনি আপনার ইউরোলজিস্টের পরামর্শ গ্রহণকরুন ও দৈর্য্য ধরে চিকিৎসা নিন।
এ ক্ষেত্রে নিয়মিত ২.৫ লিটার পানি ২৪ ঘণ্টায়পান করা, প্রতিদিন ব্যায়াম করা (হাঁটা, সাঁতার কাটা) কুসুম গরম পানিতে hipbath নেওয়া বেশউপকারী। টমেটো, গাজর, পেঁয়াজ নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। খাদ্যে মাংসের পরিমাণ কমিয়েআনা প্রয়োজন।
পরামর্শ দিয়েছেন: কাজীরফিকুল আবেদীন | তারিখ: ২০-০৭-২০১১
সহকারী অধ্যাপক (ইউরোলজি),
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি,
ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো,

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Facebook Themes