Total Pageviews

Showing posts with label স্মৃতি. Show all posts
Showing posts with label স্মৃতি. Show all posts

Thursday, January 5, 2012

স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধ করতে পারে খাদ্যাভ্যাস

ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার ও মাছ স্মৃতিভ্রংশ রোগ বা মস্তিস্কের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। অন্যদিকে, টুকিটাকি খাবার বিপরীত প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

স্নায়ুবিজ্ঞান সম্পর্কিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব বয়স্ক লোকের রক্তে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড আছে তাদের মস্তিস্ক সংকোচনের পরিমাণ কম এবং মানসিক সামর্থ্য অনেক বেশি থাকে।

অন্যদিকে, রক্তে ট্রান্স ফ্যাট বেশি থাকলে মস্তিক সংকোচনের পরিমাণ বেশি হয়। সাধারণত কেক, বিস্কুট ও ভাজা খবারসহ প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার বা ফাস্ট ফুডে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।

তাই স্মৃতিভ্রংশ বা আলঝেইমার প্রতিরোধে গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, প্রচুর ফলমুল ও শাক-সবজিসহ সুষম খাবার খাওয়া, ধূমপান না করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং নিয়মিত রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা পরিমাপ করা।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে, যুক্তরাজ্যের ‘আলঝেইমার’স রিসার্চ’ নামক গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

গবেষণায় ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে সরাসরি প্রশ্ন না করে তাদের রক্তের পুষ্টিমান যাচাই করা হয়েছে।

স্মৃতিভ্রংশ গবেষণা কর্মসূচির প্রধান গবেষক ডা. সিমন রিডলে বলেছেন, “এ রোগের ওপর খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিরূপণ করতে আরো প্রমাণ প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে বড় পরিসরে ও দীর্ঘ সময় নিয়ে গবেষণা করলেই তা সম্ভব।”

বিবিসি জানায়, আলোচ্য গবেষণায় গড়ে ৮৭ বছর বয়স্ক ১০৪ জন ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করে গবেষণার ফল নিরূপণ করা হয়েছে।

বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মনোভাবের পরিবর্তন এবং যোগাযোগ ও কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ে ব্যার্থতাই স্মৃতিভ্রংশ রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Monday, June 20, 2011

স্মৃতিভ্রংশ থেকে রক্ষা মিলবে

মস্তিষ্কের একটি মারাত্মক ধরনের রোগ হচ্ছে ডিমেনশিয়া। এই রোগে মানুষ দ্রুত স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে। এটা কখনও হয় স্বল্প সময়ের জন্য। আবার কখনও বা দীর্ঘ সময় ধরে চলে এটি। এছাড়া আরও অনেক কারণেই চলে যেতে পারে স্মৃতিশক্তি। তার মধ্যে মস্তিষ্কে আঘাতের সমস্যা তো আছেই। এই স্মৃতিভ্রংশ রোগের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীদের একটি দল বেশ ভালো ফল পেয়েছেন। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ভিটেব্রি স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর বায়োমেডিক্যাল দফতরের গবেষকরা চালিয়েছিলেন এই গবেষণা। প্রাথমিকভাবে তারা ইঁদুরের মস্তিষ্কের দুটি অংশের নিউরনের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের যে উপায় রয়েছে তার মধ্যে এই গবেষণাটি চালান। দেখা যায়, যে ওষুধটি তারা ব্যবহার করছেন তার ফল হচ্ছে ঠিক আলো জ্বালাবার সুইচের মতো। সুইচ টিপলে বাতি জ্বলার মতো, ওষুধ দিলে ইঁদুর তার স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে আবার না দিলে চলে যাচ্ছে সেই স্মৃতি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলের প্রধান থিওডর বার্গার বলেছেন, দু’ভাবে কাজ করতে পারে এই নতুন গবেষণার সাফল্য। স্বল্প সময়ের জন্য নষ্ট হয়ে যাওয়া স্মৃতি তো বটেই, দীর্ঘমেয়াদে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিও ফিরিয়ে আনছে এই নতুন গবেষণা। তবে এখন পর্যন্ত তা কেবলই ইঁদুরদের মধ্যে।
ইঁদুরদের ক্ষেত্রে পাওয়া সাফল্যের পর এবার কাজ শুরু হবে বাঁদরদের নিয়ে। বাঁদররা যদি এই ওষুধে ইঁদুরদের মতোই সাড়া দেয়, তার পরের ধাপ হবে অবশ্যই মানুষ। আর মানুষের স্মৃতি ফেরাতে পারলেই আসবে চূড়ান্ত সাফল্য।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | Facebook Themes